শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাসিক প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে তাৎক্ষণিক দুইটি নাগরিক সমস্যার সমাধান সাংবাদিকের ওপর হামলার মূল আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ​রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব সভাপতির ওপর হামলা, ২ আসামি গ্রেপ্তার ​হামলার শিকার রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতিকে দেখতে গেলেন বিএনপি নেতা রিটন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব সভাপতির ওপর হামলা: জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি চাঁদা না দেওয়ায় রাজশাহীতে প্রেসক্লাব সভাপতিকে কুপিয়ে জখম! ইঞ্জিনিয়ারদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান এমপি মিলনের রাজশাহীতে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত অদৃশ্য কাগজপত্রে সমবায় নিবন্ধন : অফিস ও ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণে পুকুর সিন্ডিকেট! কোরআনের পাখিদের সাথে ইফতার করলেন মাহফুজুর রহমান রিটন
এইমাত্র পাওয়া
*** নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষ জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দৈনিক সাদাকালো*** জেলা প্রতিনিধি*** ভিডিও কনটেইনসহ সিভি পাঠান।**dainiksadakalo@yahoo.com**
ঢাকায় তীব্র শীত কতদিন থাকবে, জানাল আবহাওয়া অফিস
/ ২২১ Time View
শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

গত দুদিন রাজধানীতে দেখা মেলেনি সূর্যের। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন নগরী।সেই সঙ্গে থেমে থেমে বইছে হিমেল হাওয়া। এতে রাজধানীতে জেঁকে বসেছে তীব্র শীতের অনুভূতি। অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।

আবহাওয়াবিদেরা বলছেন মতে, কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা না মেলায় রাজধানীতে কমেছে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান। এ কারণে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। আরও তিন-চার দিন একই অবস্থা থাকতে পারে। তবে তাপমাত্রা আর কমবে না।

বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী পৌষের বেশির ভাগ সময় চলে গেলেও রাজধানীতে এতদিন তেমন শীত পড়েনি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হলেও রাজধানীর অবস্থা ছিল অনেকটাই স্বাভাবিক। কিন্তু চলতি বছরের শুরুর দিনে বিকেল থেকেই রাজধানীতে কমতে থাকে তাপমাত্রা। এর সঙ্গে যুক্ত হয় হিমেল হাওয়া।

বছরের দ্বিতীয় দিন গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল নগরী। সারা দিনেও দেখা মেলেনি সূর্যের। একই অবস্থা রয়েছে শুক্রবারও। সকাল থেকে যেন বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। ঘরে-বাইরে সর্বত্র অনুভূত হচ্ছে তীব্র ঠান্ডা।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় এদিন শীতের কারণে মানুষ তেমন ঘরের বাইরে বের হয়নি। যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছেন তারাও মোটা শীতবস্ত্র পরেছেন শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে। তারপরও যেন ঠান্ডার হাত থেকে রেহায় নেই।

হিমেল হাওয়ায় কাঁপুনি ধরে যাচ্ছে শরীরে। তবে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা। পর্যাপ্ত শীতের পোশাক না থাকায় কনকনে ঠান্ডা নিয়েই কাটাতে হচ্ছে তাদের। কেউ কেউ আবার ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে জ্বালাচ্ছেন আগুন।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ কারণে ঢাকায় এত শীত অনুভূত হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, ‘শীতকালে তাপমাত্রা কমবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কুয়াশার কারণে দিনের বেলা সূর্যের তাপ না পড়ায় সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে গেছে। সাধারণত জানুয়ারি মাসে রাতের তাপমাত্রা কমে যায় এবং দিনের বেলা সূর্যের তাপের কারণে তাপমাত্রা বাড়ে। এ কারণে শীতের অনুভূতি এত বেশি হয় না। কিন্তু গত দুই দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে থাকার কথা ২৪ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ কারণে শীতের অনুভূতি বেশি হচ্ছে।’

তিনি আরও জানানা, ‘পুরো জানুয়ারি মাস ঠান্ডা থাকবে। তবে গত দুইদিন যে অবস্থা রয়েছে সেটি সোমবার-মঙ্গলবারের মধ্যে কেটে যাবে। তখন তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। তবে এখন যে অবস্থা রয়েছে এর থেকে তাপমাত্রা আর কমবে না।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category