শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাসিক প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে তাৎক্ষণিক দুইটি নাগরিক সমস্যার সমাধান সাংবাদিকের ওপর হামলার মূল আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ​রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব সভাপতির ওপর হামলা, ২ আসামি গ্রেপ্তার ​হামলার শিকার রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতিকে দেখতে গেলেন বিএনপি নেতা রিটন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব সভাপতির ওপর হামলা: জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি চাঁদা না দেওয়ায় রাজশাহীতে প্রেসক্লাব সভাপতিকে কুপিয়ে জখম! ইঞ্জিনিয়ারদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান এমপি মিলনের রাজশাহীতে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত অদৃশ্য কাগজপত্রে সমবায় নিবন্ধন : অফিস ও ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণে পুকুর সিন্ডিকেট! কোরআনের পাখিদের সাথে ইফতার করলেন মাহফুজুর রহমান রিটন
এইমাত্র পাওয়া
*** নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষ জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দৈনিক সাদাকালো*** জেলা প্রতিনিধি*** ভিডিও কনটেইনসহ সিভি পাঠান।**dainiksadakalo@yahoo.com**
‘রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প থেকে ৫শ’ কোটি ডলার আত্মসাৎ করেন শেখ হাসিনা’
/ ২০৮ Time View
রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৪, ২:০৭ অপরাহ্ন
গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদন

‘রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প থেকে ৫শ’ কোটি ডলার আত্মসাৎ করেন শেখ হাসিনা’

ন্যাশনাল ডেস্ক:

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫শ’ কোটি ডলারের বেশি আত্মসাৎ করেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। প্রতিবেদনে তারা জানায়, মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে অর্থ-আত্মসাতের সুযোগ করে দেয় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রোসাট্রম। যাতে মধ্যস্ততা করেন তার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক।

দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আশা করা হচ্ছে, এটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের পর ২০ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গ্লোবাল ডিফেন্স করপোরেশন নামে একটি পোর্টাল।

এতে বলা হয়, রাশিয়ার সহযোগিতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণে খরচ ধরা হয় এক হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। প্রয়োজনের তুলনায় যা অনেক বেশি। যাতে মালয়েশিয়ার এক ব্যাংকের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এই বাজেট থেকে ৫শ’ কোটি ডলার আত্মসাতের সুযোগ করে দেয় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রোসাট্রম। নিজের ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের ৩০ শতাংশ পেয়েছেন টিউলিপ, শেখ রেহানা ও পরিবারের কয়েকজন সদস্য। ২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাতের সময় সঙ্গী হয়েছিলেন টিউলিপ সিদ্দিক। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের দাবি, সে সময় ঢাকা-মস্কোর বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির মধ্যস্থতাও করেন তিনি।

২০০৯ সালে ‘প্রচ্ছায়া লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানি চালু করেন টিউলিপ সিদ্দিক, তার মা শেখ রেহানা ও চাচা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক। যুক্তরাষ্ট্রেও জুমানা ইনভেস্টমেন্ট নামে একটি কোম্পানি রয়েছে তাদের। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের অভিযোগ, এই কোম্পানির মাধ্যমেই বিভিন্ন দেশের অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থপাচার করতেন শেখ হাসিনা।

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প নামে পোর্টালটি চালু হয় ২০১৮ সালে। বিভিন্ন দেশের সামরিক ও প্রতিরক্ষাখাতে দুর্নীতির অনুসন্ধান করে থাকে তারা। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সামরিক শক্তির বিস্তার রোধে পশ্চিমা ঢাল হয়ে কাজ করে এটি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category