বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অদৃশ্য কাগজপত্রে সমবায় নিবন্ধন : অফিস ও ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণে পুকুর সিন্ডিকেট! কোরআনের পাখিদের সাথে ইফতার করলেন মাহফুজুর রহমান রিটন লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই লাচ্ছা সেমাই বিক্রি! নওগাঁয় বিএসটিআইয়ের জরিমানা রাজনীতির মাঠ থেকে প্রশাসনিক আলোচনায় রিটন নগরীর মতিহার থানা বিএনপি’র আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ভাষা দিবসে সম্প্রীতির বার্তা : রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের শ্রদ্ধাঞ্জলি রমজানের প্রথম দিনেই মানবিক উদ্যোগ, ভ্যানচালকের পাশে এসি ল্যান্ড ​রাজশাহীতে গাড়ির মনিটরের ভেতরে মিলল দেড় কেজি হেরোইন, গ্রেপ্তার ১ রাজশাহী-২ থেকে পূর্ণ মন্ত্রী পেল মিনু, নগরজুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস রাজশাহী থেকে পূর্ণমন্ত্রী চান নগরবাসী, আলোচনার শীর্ষে মিনু
এইমাত্র পাওয়া
*** নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষ জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দৈনিক সাদাকালো*** জেলা প্রতিনিধি*** ভিডিও কনটেইনসহ সিভি পাঠান।**dainiksadakalo@yahoo.com**
গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় ব্যাংক থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলার পাচার: গভর্নর
/ ২৫১ Time View
সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:২৯ অপরাহ্ন

গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় ব্যাংক থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলার পাচার: গভর্নর

ইউএনবি

প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা শেখ হাসিনার শাসনামলে ব্যাংক খাত থেকে ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার পাচার করেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, দেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সদস্যরা বড় ব্যাংকগুলো দখলে সহায়তা করেছে। যার ফলে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিতভাবে অর্থ পাচার হয়েছে।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, নতুন শেয়ারহোল্ডারদের ঋণ ও আমদানি চালান বাড়ানোর মতো পদ্ধতির মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা বা ১ হাজার ৬৭০ কোটি ডলার উত্তোলন করা হয়েছে।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ব্যাংক ডাকাতির এটাই সবচেয়ে বড় ঘটনা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ব্যাংকের সিইওদের বাধ্য করার জন্য চাপ না দিলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এই জালিয়াতি সম্ভব হত না।

শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ডিজিএফআইয়ের সহায়তায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে অন্তত এক হাজার কোটি ডলার ‘পাচার’ করা হয়েছে। আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘প্রতিদিন তারা নিজেরাই নিজেদেরকে ঋণ দিচ্ছিলেন।’

তবে আইনি প্রতিষ্ঠান কুইন ইমানুয়েল উরকুহার্ট অ্যান্ড সুলিভানের মাধ্যমে এস আলম গ্রুপ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে একে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছে। গ্রুপটির বিবৃতিতে বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অভিযানকে যথাযথ প্রক্রিয়ার লঙ্ঘন হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলাকে ক্ষুণ্ণ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়,শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান এবং তার বর্তমান অবস্থান জানা যায়নি। তার শাসনামল ভোট কারচুপি, বিরোধী দলের দমন-পীড়ন এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত। নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার প্রশাসনের অধীনে আত্মসাতের অভিযোগ আনা তহবিল পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আহসান এইচ মনসুর জানান, শেখ হাসিনার সহযোগীদের বৈদেশিক সম্পদের তদন্তে তিনি যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন।

তিনি বলেন, তার শাসনামলে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বন্দুকের মুখে সাইফুল আলমের কাছে শেয়ার বিক্রি করতে বাধ্য করেছিল। তারা বোর্ড সদস্যদের বাড়ি থেকে ‘অপহরণ’ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একের পর এক ব্যাংক একই জবরদস্তিমূলক পন্থায় অধিগ্রহণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category