শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অদৃশ্য কাগজপত্রে সমবায় নিবন্ধন : অফিস ও ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণে পুকুর সিন্ডিকেট! কোরআনের পাখিদের সাথে ইফতার করলেন মাহফুজুর রহমান রিটন লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই লাচ্ছা সেমাই বিক্রি! নওগাঁয় বিএসটিআইয়ের জরিমানা রাজনীতির মাঠ থেকে প্রশাসনিক আলোচনায় রিটন নগরীর মতিহার থানা বিএনপি’র আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ভাষা দিবসে সম্প্রীতির বার্তা : রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের শ্রদ্ধাঞ্জলি রমজানের প্রথম দিনেই মানবিক উদ্যোগ, ভ্যানচালকের পাশে এসি ল্যান্ড ​রাজশাহীতে গাড়ির মনিটরের ভেতরে মিলল দেড় কেজি হেরোইন, গ্রেপ্তার ১ রাজশাহী-২ থেকে পূর্ণ মন্ত্রী পেল মিনু, নগরজুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস রাজশাহী থেকে পূর্ণমন্ত্রী চান নগরবাসী, আলোচনার শীর্ষে মিনু
এইমাত্র পাওয়া
*** নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষ জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দৈনিক সাদাকালো*** জেলা প্রতিনিধি*** ভিডিও কনটেইনসহ সিভি পাঠান।**dainiksadakalo@yahoo.com**
প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরানোর ঘটনায় আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের নিন্দা, শাস্তির দাবি
/ ২৫৩ Time View
শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৪, ৪:২৭ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরানোর ঘটনায় আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের নিন্দা, শাস্তির দাবি

ন্যাশনাল ডেক্স:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শামীমা সুলতানার কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরিয়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ।

আজ শুক্রবার সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এ এ মামুন ও সদস্যসচিব অধ্যাপক বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে ওই অধ্যাপকের শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৪৭ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা থাকলেও অনেকেই বিবৃতির বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শামীমা সুলতানা কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে শিক্ষার্থীদের হত্যা, হামলা, নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দায়ী করে নিজ কার্যালয় থেকে তাঁর (প্রধানমন্ত্রী) ছবি সরিয়ে ফেলেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে ফেলার মাধ্যমে অধ্যাপক শামীমা সুলতানা দেশের আইন ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করেছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০০২ সালের ২৭ মার্চের সরকারি কার্যালয়, আদালত ও প্রতিষ্ঠানে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি টানানোর পরিপত্রটি লঙ্ঘন করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি শুধু প্রতিকৃতি নামিয়ে ফেলেননি; অধিকন্তু প্রতিকৃতি নামিয়ে কার্যালয়ে বসে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বক্তব্যে তিনি সরকারপ্রধানকে ‘খুনি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা অত্যন্ত গর্হিত ও নিন্দনীয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা জানাতে চাই, তিনি বাংলা বিভাগের সভাপতির কক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্থাপিত প্রতিকৃতি টানানোর স্থান থেকে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে ফেলেছেন। সভাপতির কক্ষটি তাঁর ব্যক্তিগত কক্ষ নয় এবং তিনি এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরানোর মতো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। আমরা তাঁর এই হীন ও গর্হিত কাজে জড়িত থাকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানার কার্যালয়ের একটি ছবি গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে শামীমা সুলতানাকে চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। তাঁর পেছনে দেয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দেখা গেলেও পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছিল না। এ বিষয়ে গতকাল তিনি প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) জন্য এই মুহূর্তে ঘরে পর্যন্ত কেউ নিরাপদ নন। তাঁর হাতে অসংখ্য শিক্ষার্থীর রক্ত লেগে আছে। যাঁর জন্য বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান হুমকির মুখে পড়ে যায়, তাঁর ছবি আমার কার্যালয়ে কীভাবে রাখি? আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর কার্যকলাপের কারণে মানুষের হৃদয়ে আর নেই। তাই বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখেছি। কিন্তু তাঁর ছবি সরিয়ে ফেলেছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category