শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অদৃশ্য কাগজপত্রে সমবায় নিবন্ধন : অফিস ও ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণে পুকুর সিন্ডিকেট! কোরআনের পাখিদের সাথে ইফতার করলেন মাহফুজুর রহমান রিটন লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই লাচ্ছা সেমাই বিক্রি! নওগাঁয় বিএসটিআইয়ের জরিমানা রাজনীতির মাঠ থেকে প্রশাসনিক আলোচনায় রিটন নগরীর মতিহার থানা বিএনপি’র আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ​ভাষা দিবসে সম্প্রীতির বার্তা : রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের শ্রদ্ধাঞ্জলি রমজানের প্রথম দিনেই মানবিক উদ্যোগ, ভ্যানচালকের পাশে এসি ল্যান্ড ​রাজশাহীতে গাড়ির মনিটরের ভেতরে মিলল দেড় কেজি হেরোইন, গ্রেপ্তার ১ রাজশাহী-২ থেকে পূর্ণ মন্ত্রী পেল মিনু, নগরজুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস রাজশাহী থেকে পূর্ণমন্ত্রী চান নগরবাসী, আলোচনার শীর্ষে মিনু
এইমাত্র পাওয়া
*** নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষ জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দৈনিক সাদাকালো*** জেলা প্রতিনিধি*** ভিডিও কনটেইনসহ সিভি পাঠান।**dainiksadakalo@yahoo.com**
বিটি বেগুন চাষ হ্রাস করবে কীটনাশকের ব্যবহার
/ ২১০ Time View
বুধবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৫, ৩:০১ অপরাহ্ন
বাকৃবি প্রতিনিধি:
বেগুন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল, যা এদেশের আবহাওয়ার জন্য বেশ উপযোগী। তবে, ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণে প্রতিবছর অনেক বেগুন নষ্ট হয়। এই পোকা বেগুন চাষের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। সাধারণত কৃষকরা এই পোকা দমন করতে কীটনাশক ব্যবহার করেন, যা পানি, খাদ্য এবং পরিবেশে মিশে গিয়ে মানুষের ও গবাদি পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। এ সমস্যা সমাধানে “বিটি বেগুন” একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প হয়ে উঠেছে।
ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা সাধারণত লার্ভা অবস্থায় ফসলের ক্ষতি করে। বিটি বেগুন চাষে কীটনাশকের ব্যবহার কমে এবং ফসলের উৎপাদন বাড়ে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক শরীফ-আল-রাফি বিটি বেগুনের বৈজ্ঞানিক দিক ও পরিচর্যা নিয়ে মতামত দিয়েছেন।
অধ্যাপক শরীফ-আল-রাফি বলেন, বিটি শব্দটি এসেছে Bacillus thuringiensis (Bt) নামক ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত কীটপতঙ্গদের (যেমন বেল বোরার) বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক কীটনাশক হিসেবে কাজ করে। এই ব্যাকটেরিয়াটি ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা কিংবা লার্ভা গ্রহণে গিজার্ড নষ্ট হয়ে যায়। ফলাফল স্বরূপ পোকা বা লার্ভার অন্ত্র নষ্ট হয়ে মারা যায়। বিজ্ঞানীরা এই ব্যাকটেরিয়ার ওই বিশেষ জিন বেগুনের মধ্যে সংযুক্ত করে যার ফলে বেগুনটি কীটদের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকে। যদিও শুরুতে বিটি বেগুন নিয়ে অনেক বিতর্ক ছিল তবে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি খুবই সম্ভবনাময় ফসল। কীটনাশক ব্যবহার কমার পাশাপাশি এই বেগুন কৃষকের অতিরিক্তি খরচও কমাবে।
তিনি আরও বলেন, বিটি বেগুন মূলত একটি জেনেটিক্যালি মডিফায়েড বেগুন যেটি Bacillus thuringiensis (Bt)  ব্যাকটেরিয়ার জিন ধারণ করে যা কীটপতঙ্গের আক্রমণ থেকে বেগুনকে রক্ষা করে এবং এর নামকরণ হয়েছে সেই জিন (Bt) এর জন্য।
বিটি বেগুন নিয়ে সাধারণের ধারণা নিয়ে তিনি বলেন, বিটি বেগুন নিয়ে আমাদের একটি ভুল ধারণা আছে। অনেকে মনে করেন যে বেগুন খেলে পোকার ক্ষতি করে সেটা মানুষের ক্ষতি করবে কিনা। কীটনাশক যেমন কিট পতঙ্গের ক্ষতি করে তেমনি মানুষেরও ক্ষতি করে। কিন্তু বিটি বেগুনের ক্ষেত্রে যে ব্যাকটেরিয়ার জিন ব্যবহার করা হয় সেটি শুধু মাত্র ওই বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকার ক্ষতি সাধন করে। এই জিন মানুষের অন্ত্রের কোন ক্ষতি করে না বরং নিরাপদ। চাষের ক্ষেত্রে বিটি বেগুনের জন্য আলাদা কোন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। সাধারণ বেগুনের মতই চাষকরা হয় এই বেগুন।
আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category